ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘মুজিব কর্নার’ বদলে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্নার’ করার প্রস্তাব




 

নিউজ ডেস্ক || এসকেনিউজ২৪

দেশের সরকারি-বেসরকারি পাঠাগার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকা ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্নার’ করার প্রস্তাব দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সম্পূরক প্রশ্নকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর কাছে এ প্রস্তাব দেন তিনি।

সংসদে মারদিয়া মমতাজ বলেন, বিগত সরকারের আমলে একটি প্রকল্পের আওতায় প্রায় সাড়ে ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের সরকারি-বেসরকারি পাঠাগার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মুজিব কর্নার’ স্থাপন করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর এসব কর্নারের নামসংবলিত নোটিশ বা হেডিং সরিয়ে নেওয়া হলেও অনেক পাঠাগার বর্তমানে অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ওই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৫ হাজার ৭০০ কপি বই সরবরাহ করা হয়েছিল। এসব বইয়ের মধ্যে ‘বঙ্গবন্ধুর প্রিয় খাবার’সহ নির্দিষ্ট কয়েকটি বিষয়ের বই ছিল।

মারদিয়া মমতাজ প্রস্তাব দেন, এসব পাঠাগার ও কর্নার সংস্কার করে সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস ও স্মৃতি সংবলিত ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্নার’ প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। এতে নতুন প্রজন্ম দেশের ইতিহাস সম্পর্কে আরও জানতে পারবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জবাবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী প্রস্তাবটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন। তিনি সংসদ সদস্যকে এ বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ এবং সংশ্লিষ্ট লাইব্রেরিগুলোর তালিকা প্রস্তুত করে লিখিতভাবে তার কাছে জমা দেওয়ার অনুরোধ জানান। বিষয়টি আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও আশ্বাস দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দেশের সরকারি গণগ্রন্থাগার ও পাবলিক লাইব্রেরিগুলো জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পাশাপাশি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের অধীনে থাকা বেসরকারি পাঠাগারগুলোও গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
এ সময় এসব পাঠাগারকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

এসকে/এনএম

আরো পড়ুন : নেত্রকোনায় জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট : ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা

আপনার মতামত প্রকাম করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার প্রদত্ত তথ্য আমাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে

প্রকাশকের তথ্য

সর্বাধিক পঠিত

লক্ষ্মীপুরে নকল ঘি-কসমেটিকসের গোডাউনে অভিযান : মালিকের ৩ মাসের কারাদণ্ড

‘মুজিব কর্নার’ বদলে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্নার’ করার প্রস্তাব

প্রকাশের সময় : ১০:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

নিউজ ডেস্ক || এসকেনিউজ২৪

দেশের সরকারি-বেসরকারি পাঠাগার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকা ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্নার’ করার প্রস্তাব দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সম্পূরক প্রশ্নকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর কাছে এ প্রস্তাব দেন তিনি।

সংসদে মারদিয়া মমতাজ বলেন, বিগত সরকারের আমলে একটি প্রকল্পের আওতায় প্রায় সাড়ে ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের সরকারি-বেসরকারি পাঠাগার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মুজিব কর্নার’ স্থাপন করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর এসব কর্নারের নামসংবলিত নোটিশ বা হেডিং সরিয়ে নেওয়া হলেও অনেক পাঠাগার বর্তমানে অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ওই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৫ হাজার ৭০০ কপি বই সরবরাহ করা হয়েছিল। এসব বইয়ের মধ্যে ‘বঙ্গবন্ধুর প্রিয় খাবার’সহ নির্দিষ্ট কয়েকটি বিষয়ের বই ছিল।

মারদিয়া মমতাজ প্রস্তাব দেন, এসব পাঠাগার ও কর্নার সংস্কার করে সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস ও স্মৃতি সংবলিত ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্নার’ প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। এতে নতুন প্রজন্ম দেশের ইতিহাস সম্পর্কে আরও জানতে পারবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জবাবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী প্রস্তাবটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন। তিনি সংসদ সদস্যকে এ বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ এবং সংশ্লিষ্ট লাইব্রেরিগুলোর তালিকা প্রস্তুত করে লিখিতভাবে তার কাছে জমা দেওয়ার অনুরোধ জানান। বিষয়টি আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও আশ্বাস দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দেশের সরকারি গণগ্রন্থাগার ও পাবলিক লাইব্রেরিগুলো জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পাশাপাশি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের অধীনে থাকা বেসরকারি পাঠাগারগুলোও গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
এ সময় এসব পাঠাগারকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

এসকে/এনএম

আরো পড়ুন : নেত্রকোনায় জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট : ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা