ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্গাপুরের সাদামাটি ও চীনা মাটির পাহাড় ঘিরে পর্যটন নগরী গড়ার স্বপ্ন, আশাবাদ ডেপুটি স্পিকারের




 

মোঃ ইকবাল কবির, নেত্রকোনা : 

নেত্রকোণার দুর্গাপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর সাদামাটি ও চীনা মাটির পাহাড়কে আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোণা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুর্গাপুরের পর্যটন সম্ভাবনাময় বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, দুর্গাপুরের সাদামাটি ও চীনা মাটির পাহাড় এ অঞ্চলের অনন্য প্রাকৃতিক সম্পদ। যথাযথ পরিকল্পনা, সরকারি উদ্যোগ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে এ অঞ্চলকে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। পর্যটনের এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দুর্গাপুরকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করে তোলার সুযোগ রয়েছে।

পর্যটন নগরী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং মানসম্মত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পর্যটকদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন, মানসম্মত আবাসন সুবিধা তৈরি এবং সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পিত পর্যটন অবকাঠামো গড়ে উঠলে দুর্গাপুরে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগমন বাড়বে। এতে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটার পাশাপাশি হোটেল-রেস্তোরাঁ, পরিবহন, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

দুর্গাপুরকে আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এর সুফল শুধু নেত্রকোণায় সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের প্রত্যাশা, পর্যটনশিল্পের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ, যাতায়াতসেবা ও অন্যান্য অবকাঠামোর উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা ও অর্থনীতিতেও।

পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দুর্গাপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটি পরিকল্পিত পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ বাস্তবে রূপ নেবে। তবে এ সম্ভাবনাকে বাস্তবায়ন করতে প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট মহাপরিকল্পনা, পরিবেশ সংরক্ষণ, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদি সরকারি উদ্যোগ।

 

এসকে/এনআই

আরও পড়ুন : পূজা উপলক্ষে  দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীর ফেরি পারাপার ফ্রী করলেন ডেপুটি স্পিকার

এসকেনিউজ২৪ | সত্যের পথে কলমের সাথে | দেশ-বিদেশের সর্বশেষ সংবাদে চোখ রাখুন

আপনার মতামত প্রকাম করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার প্রদত্ত তথ্য আমাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে

প্রকাশকের তথ্য

সর্বাধিক পঠিত

দুর্গাপুরের সাদামাটি ও চীনা মাটির পাহাড় ঘিরে পর্যটন নগরী গড়ার স্বপ্ন, আশাবাদ ডেপুটি স্পিকারের

দুর্গাপুরের সাদামাটি ও চীনা মাটির পাহাড় ঘিরে পর্যটন নগরী গড়ার স্বপ্ন, আশাবাদ ডেপুটি স্পিকারের

প্রকাশের সময় : ০১:৫১:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

 

মোঃ ইকবাল কবির, নেত্রকোনা : 

নেত্রকোণার দুর্গাপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর সাদামাটি ও চীনা মাটির পাহাড়কে আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোণা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুর্গাপুরের পর্যটন সম্ভাবনাময় বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, দুর্গাপুরের সাদামাটি ও চীনা মাটির পাহাড় এ অঞ্চলের অনন্য প্রাকৃতিক সম্পদ। যথাযথ পরিকল্পনা, সরকারি উদ্যোগ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে এ অঞ্চলকে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। পর্যটনের এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দুর্গাপুরকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করে তোলার সুযোগ রয়েছে।

পর্যটন নগরী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং মানসম্মত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পর্যটকদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন, মানসম্মত আবাসন সুবিধা তৈরি এবং সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পিত পর্যটন অবকাঠামো গড়ে উঠলে দুর্গাপুরে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগমন বাড়বে। এতে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটার পাশাপাশি হোটেল-রেস্তোরাঁ, পরিবহন, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

দুর্গাপুরকে আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এর সুফল শুধু নেত্রকোণায় সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের প্রত্যাশা, পর্যটনশিল্পের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ, যাতায়াতসেবা ও অন্যান্য অবকাঠামোর উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা ও অর্থনীতিতেও।

পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দুর্গাপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটি পরিকল্পিত পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ বাস্তবে রূপ নেবে। তবে এ সম্ভাবনাকে বাস্তবায়ন করতে প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট মহাপরিকল্পনা, পরিবেশ সংরক্ষণ, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদি সরকারি উদ্যোগ।

 

এসকে/এনআই

আরও পড়ুন : পূজা উপলক্ষে  দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীর ফেরি পারাপার ফ্রী করলেন ডেপুটি স্পিকার

এসকেনিউজ২৪ | সত্যের পথে কলমের সাথে | দেশ-বিদেশের সর্বশেষ সংবাদে চোখ রাখুন