ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায় সিসিটিভির আওতায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে ২ হাজার ৮৪৮ পরীক্ষার্থী

 

কোহিনূর আলম, নিজস্ব প্রতিনিধি || এসকেনিউজ২৪ 

সারা দেশের মতো নেত্রকোণার কেন্দুয়ায়ও সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আগামী বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এ বছর উপজেলার ৪টি মূল কেন্দ্র ও ২টি ভেন্যু কেন্দ্রসহ মোট ৬টি কেন্দ্রে ২ হাজার ৮৪৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, এইচএসসি পরীক্ষায় উপজেলার ২টি কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৬৪৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। এর মধ্যে কেন্দুয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ৬১১ জন ছাত্র ও ৫১৩ জন ছাত্রীসহ মোট ১ হাজার ১২৪ জন এবং সান্দিকোনা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২৪১ জন ছাত্র ও ২৮৩ জন ছাত্রীসহ মোট ৫২৪ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

আলিম পরীক্ষায় ভরাপাড়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে মোট ১৪৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে।

এদিকে বিএমটি পরীক্ষায় ২টি কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৫৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। এর মধ্যে কেন্দুয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ৩৩৬ জন ছাত্র ও ১৩১ জন ছাত্রীসহ মোট ৪৬৭ জন এবং ওরিয়েন্ট টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ কেন্দ্রে ৩৮২ জন ছাত্র ও ২০৫ জন ছাত্রীসহ মোট ৫৮৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোর সিসিটিভির আইডি, পাসওয়ার্ড, ব্র্যান্ড, ডিভাইসের সিরিয়াল নম্বর এবং ডিভিআর/এনভিআর সংযোগসংক্রান্ত তথ্য শিক্ষা বোর্ডে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীরা শুধুমাত্র সাধারণ হাতঘড়ি ব্যবহার করতে পারবে। শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা গেলেও প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

পরীক্ষার্থীরা সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে এবং পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে নিজ নিজ কক্ষে উপস্থিত থাকতে হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিফাতুল ইসলাম বলেন, সব কেন্দ্রে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখা হবে এবং সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, “নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে কয়েকটি কেন্দ্রে জেনারেটর প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে বিশেষ নিষেধাজ্ঞাও বলবৎ থাকবে।

এসকে/এনএম

আরো পড়ুন : ২০ ঘণ্টা পর ধলাই নদীতে ভেসে উঠল হোসাইনের মরদেহ, গোসল করতে নেমে প্রাণ গেল শিশুর

আপনার মতামত প্রকাম করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার প্রদত্ত তথ্য আমাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে

প্রকাশকের তথ্য

সর্বাধিক পঠিত

কেন্দুয়া প্রেসক্লাবে ওসির মতবিনিময় 

কেন্দুয়ায় সিসিটিভির আওতায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে ২ হাজার ৮৪৮ পরীক্ষার্থী

প্রকাশের সময় : ০২:৫১:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

 

কোহিনূর আলম, নিজস্ব প্রতিনিধি || এসকেনিউজ২৪ 

সারা দেশের মতো নেত্রকোণার কেন্দুয়ায়ও সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আগামী বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এ বছর উপজেলার ৪টি মূল কেন্দ্র ও ২টি ভেন্যু কেন্দ্রসহ মোট ৬টি কেন্দ্রে ২ হাজার ৮৪৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, এইচএসসি পরীক্ষায় উপজেলার ২টি কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৬৪৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। এর মধ্যে কেন্দুয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ৬১১ জন ছাত্র ও ৫১৩ জন ছাত্রীসহ মোট ১ হাজার ১২৪ জন এবং সান্দিকোনা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২৪১ জন ছাত্র ও ২৮৩ জন ছাত্রীসহ মোট ৫২৪ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

আলিম পরীক্ষায় ভরাপাড়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে মোট ১৪৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে।

এদিকে বিএমটি পরীক্ষায় ২টি কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৫৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। এর মধ্যে কেন্দুয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ৩৩৬ জন ছাত্র ও ১৩১ জন ছাত্রীসহ মোট ৪৬৭ জন এবং ওরিয়েন্ট টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ কেন্দ্রে ৩৮২ জন ছাত্র ও ২০৫ জন ছাত্রীসহ মোট ৫৮৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোর সিসিটিভির আইডি, পাসওয়ার্ড, ব্র্যান্ড, ডিভাইসের সিরিয়াল নম্বর এবং ডিভিআর/এনভিআর সংযোগসংক্রান্ত তথ্য শিক্ষা বোর্ডে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীরা শুধুমাত্র সাধারণ হাতঘড়ি ব্যবহার করতে পারবে। শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা গেলেও প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

পরীক্ষার্থীরা সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে এবং পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে নিজ নিজ কক্ষে উপস্থিত থাকতে হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিফাতুল ইসলাম বলেন, সব কেন্দ্রে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখা হবে এবং সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, “নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে কয়েকটি কেন্দ্রে জেনারেটর প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে বিশেষ নিষেধাজ্ঞাও বলবৎ থাকবে।

এসকে/এনএম

আরো পড়ুন : ২০ ঘণ্টা পর ধলাই নদীতে ভেসে উঠল হোসাইনের মরদেহ, গোসল করতে নেমে প্রাণ গেল শিশুর