ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১১ মাস পর দেশে ফিরল আইজুরের মরদেহ, বিচার চায় পরিবার

  • প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময় : ০১:৫০:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ২০৪ বার পঠিত হযেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দীর্ঘ ১১ মাস পর ভারতের কারাগার ও হাসপাতাল ঘুরে অবশেষে দেশে ফিরেছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার দিনমজুর আইজুর রহমানের (৩৫) মরদেহ। শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া সীমান্ত দিয়ে তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহত আইজুর রহমান উপজেলার সাহানাবাদ গ্রামের মরতুস আলীর ছেলে। পরিবারের অভিযোগ, গত বছরের মে মাসে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা থেকে বিএসএফ সদস্যরা তাঁকে ধরে নিয়ে যায় এবং নির্মমভাবে মারধর করে। পরে ভারতীয় একটি ভিডিওর মাধ্যমে জানা যায়, তিনি শিলিগুড়ির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

পরিবার জানায়, আইনি জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন তাঁর কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। অবশেষে গত ২২ মার্চ এক ভারতীয় আইনজীবীর মাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়।
আইজুরের স্ত্রী বলেন,
“আমার স্বামী কোনো অপরাধী ছিলেন না। জ্যান্ত ধরে নিয়ে গেল, আর এখন ফিরল তাঁর লাশ। আমি এই হত্যার বিচার চাই।”
মরদেহ হস্তান্তরের সময় সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফ উপস্থিত ছিল। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজ গ্রামে জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হবে।

Tag :

আপনার মতামত প্রকাম করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার প্রদত্ত তথ্য আমাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে

প্রকাশকের তথ্য

সর্বাধিক পঠিত

কেন্দুয়া প্রেসক্লাবে ওসির মতবিনিময় 

১১ মাস পর দেশে ফিরল আইজুরের মরদেহ, বিচার চায় পরিবার

প্রকাশের সময় : ০১:৫০:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দীর্ঘ ১১ মাস পর ভারতের কারাগার ও হাসপাতাল ঘুরে অবশেষে দেশে ফিরেছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার দিনমজুর আইজুর রহমানের (৩৫) মরদেহ। শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া সীমান্ত দিয়ে তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহত আইজুর রহমান উপজেলার সাহানাবাদ গ্রামের মরতুস আলীর ছেলে। পরিবারের অভিযোগ, গত বছরের মে মাসে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা থেকে বিএসএফ সদস্যরা তাঁকে ধরে নিয়ে যায় এবং নির্মমভাবে মারধর করে। পরে ভারতীয় একটি ভিডিওর মাধ্যমে জানা যায়, তিনি শিলিগুড়ির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

পরিবার জানায়, আইনি জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন তাঁর কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। অবশেষে গত ২২ মার্চ এক ভারতীয় আইনজীবীর মাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়।
আইজুরের স্ত্রী বলেন,
“আমার স্বামী কোনো অপরাধী ছিলেন না। জ্যান্ত ধরে নিয়ে গেল, আর এখন ফিরল তাঁর লাশ। আমি এই হত্যার বিচার চাই।”
মরদেহ হস্তান্তরের সময় সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফ উপস্থিত ছিল। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজ গ্রামে জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হবে।