
নিজস্ব প্রতিনিধি | এসকেনিউজ২৪
প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে অপরাধের ধরন ও কৌশল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার, ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, অনলাইন প্রতারণা, হ্যাকিং, ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইল থেকে শুরু করে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ডিজিটাল হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচার—বাড়ছে নানা ধরনের সাইবার অপরাধ। এমন বাস্তবতায় দেশের সাইবার স্পেসকে নিরাপদ রাখতে স্বতন্ত্র ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’ গঠন করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে আনুষ্ঠানিকভাবে নবগঠিত এ ইউনিটের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) বাংলাদেশ মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএমের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন।
বাংলাদেশ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নবগঠিত সাইবার পুলিশ ইউনিট দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও তদন্তে বিশেষায়িত ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণ, গোয়েন্দা তৎপরতা, সাইবার থ্রেট মনিটরিং এবং অনলাইনভিত্তিক অপরাধ শনাক্ত ও দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম পরিচালনা করবে ইউনিটটি।
এছাড়া অনলাইন উগ্রবাদী প্রচারণা প্রতিরোধ, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতেও ইউনিটটি কাজ করবে।
পুলিশ বলছে, প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে সাইবার অপরাধও ক্রমশ জটিল ও বহুমাত্রিক হয়ে উঠছে। ডিপ ওয়েব ও ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, স্পর্শকাতর তথ্য ফাঁস এবং ডিজিটাল মাধ্যমে আর্থিক অপরাধের মতো ঘটনাও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
নবগঠিত এই ইউনিটের মাধ্যমে এসব অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নাগরিকদের দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা দেওয়ার মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তা এবং জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্য রয়েছে পুলিশের।
এসকে/এনএম
আরো পড়ুন : ভাঙ্গায় ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
সম্পাদনা_দেলোয়ার হোসেন মাসুদ 


























2 thoughts on “সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের নতুন শক্তি”