ঢাকা ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাধবপুরে কমিউনিটি ক্লিনিকে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত ও বদলির দাবি

  • প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময় : ১১:২৩:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ২০৩ বার পঠিত হযেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পানিয়াপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিককে কেন্দ্র করে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে। শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজের বাড়ির পাশেই কীভাবে পোস্টিং পেয়েছেন, তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। রোগীদের অভিযোগ, সর্বনিম্ন ২০ টাকা না নিলে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয় না। এছাড়া নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে অনেক সময় সকাল ১০টার পর ক্লিনিক খোলা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের ডেকে এনে সেবা নিতে হয় বলেও জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দায়িত্ব পালনকালে ওই কর্মকর্তা নিজের বাসার ওষুধের প্রচার করেন এবং রোগীদের সেগুলো কিনতে বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করেন। অভিযোগ রয়েছে, কোনো তরুণী রোগী এলে তিনি দীর্ঘ সময় আলাপচারিতায় ব্যস্ত থাকেন, ফলে অন্যান্য রোগীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। হঠাৎ পরিদর্শন চালানো হলে এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যেতে পারে বলেও দাবি করেন অভিযোগকারী।

এছাড়া ক্লিনিকের বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়মিত চুরি হওয়ার অভিযোগও উঠেছে। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বাড়ি ক্লিনিকের খুব কাছেই হওয়ায় বিষয়টি স্থানীয়দের কাছে রহস্যজনক মনে হচ্ছে। চুরির ঘটনায় নিরীহ এলাকার যুবকদের জড়ানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ অবস্থায় অনেকেই ক্লিনিকে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, এর আগেও ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। তবে একাধিকবার অভিযোগ করা হলেও এখনো তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়নি। এক নারী অভিযোগ করে বলেন, তিনি ওষুধ নিতে গেলে তাকে কেবল এন্টাসিড দেওয়া হয় এবং অন্য কোনো ওষুধ নেই বলে জানানো হয়। অথচ পরিচিত কেউ গেলে প্যাকেটভর্তি ওষুধ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে অন্যত্র বদলির দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

আপনার মতামত প্রকাম করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার প্রদত্ত তথ্য আমাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে

প্রকাশকের তথ্য

সর্বাধিক পঠিত

কেন্দুয়া প্রেসক্লাবে ওসির মতবিনিময় 

মাধবপুরে কমিউনিটি ক্লিনিকে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত ও বদলির দাবি

প্রকাশের সময় : ১১:২৩:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পানিয়াপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিককে কেন্দ্র করে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে। শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজের বাড়ির পাশেই কীভাবে পোস্টিং পেয়েছেন, তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। রোগীদের অভিযোগ, সর্বনিম্ন ২০ টাকা না নিলে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয় না। এছাড়া নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে অনেক সময় সকাল ১০টার পর ক্লিনিক খোলা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের ডেকে এনে সেবা নিতে হয় বলেও জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দায়িত্ব পালনকালে ওই কর্মকর্তা নিজের বাসার ওষুধের প্রচার করেন এবং রোগীদের সেগুলো কিনতে বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করেন। অভিযোগ রয়েছে, কোনো তরুণী রোগী এলে তিনি দীর্ঘ সময় আলাপচারিতায় ব্যস্ত থাকেন, ফলে অন্যান্য রোগীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। হঠাৎ পরিদর্শন চালানো হলে এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যেতে পারে বলেও দাবি করেন অভিযোগকারী।

এছাড়া ক্লিনিকের বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়মিত চুরি হওয়ার অভিযোগও উঠেছে। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বাড়ি ক্লিনিকের খুব কাছেই হওয়ায় বিষয়টি স্থানীয়দের কাছে রহস্যজনক মনে হচ্ছে। চুরির ঘটনায় নিরীহ এলাকার যুবকদের জড়ানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ অবস্থায় অনেকেই ক্লিনিকে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, এর আগেও ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। তবে একাধিকবার অভিযোগ করা হলেও এখনো তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়নি। এক নারী অভিযোগ করে বলেন, তিনি ওষুধ নিতে গেলে তাকে কেবল এন্টাসিড দেওয়া হয় এবং অন্য কোনো ওষুধ নেই বলে জানানো হয়। অথচ পরিচিত কেউ গেলে প্যাকেটভর্তি ওষুধ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে অন্যত্র বদলির দাবি জানিয়েছেন।