ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাঘাটায় পাওনা টাকা ও জমি নিয়ে বিরোধ, সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবাদ




 

ফয়সাল রহমান জনি, গাইবান্ধা প্রতিনিধি | এসকেনিউজ২৪ 

পাওনা টাকা ফেরত না দেওয়া, জমি বিক্রিতে বাধা ও চাঁদা দাবির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. শামছুল আলম মিল্টন। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাকে মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে প্রকাশিত সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।
গতকাল শুক্রবার সাঘাটায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন শামছুল আলম মিল্টন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর সম্বন্ধী মো. শরিফুল আশরাফ চৌধুরী গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার যাদুরতাইড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করায় তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, জমিজমা ও অন্যান্য সম্পত্তির দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করে আসছেন শামছুল আলম মিল্টন।

তাঁর অভিযোগ, ২০২৪ সালে আনিসুর রহমান চৌধুরী একটি পুকুরের প্রায় ৮৪ শতক জমিতে মাটি কাটার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে শরিফুল আশরাফ চৌধুরীর কাছ থেকে ১১ লাখ টাকা নেন। পরে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ না করে ওই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন পর এক লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হলেও বাকি টাকা এখনো পাওনা রয়েছে বলে দাবি করেন শামছুল আলম মিল্টন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, শরিফুল আশরাফ চৌধুরীর জমি বিক্রির ক্ষেত্রেও বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে। জমি বিক্রি করলে টাকার অংশ দিতে হবে—এমন দাবি করে চাঁদা চাওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

শামছুল আলম মিল্টন বলেন, গত ৩০ সেপ্টেম্বর চৌধুরী গেটের সামনে পাওনা টাকা ও হিসাব-নিকাশের বিষয়ে আনিসুর রহমান চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়। একপর্যায়ে কথাকাটাকাটির মধ্যে তিনি আনিসুর রহমানের মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে নেন বলে জানান। পরে আনিসুর রহমান তাঁকে ও আরও কয়েকজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তাঁর দাবি, মামলার এজাহারে ঘটনার যে বিবরণ দেওয়া হয়েছে, তা সত্য নয়। এ ছাড়া গত ১ অক্টোবর ‘দৈনিক ইত্তেফাক অনলাইন’-এ প্রকাশিত ‘প্রাণনাশের হুমকি ও অস্ত্র ঠেকিয়ে মোটরসাইকেল ও টাকা ছিনতাই’ সংক্রান্ত সংবাদ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের প্রতিবাদ জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে শামছুল আলম মিল্টন ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি জানান। একই সঙ্গে পাওনা টাকা ও জমি-সংক্রান্ত বিরোধ আইনানুগভাবে নিষ্পত্তির আহ্বান জানান তিনি।

এসকে/জিএফ

আরো পড়ুন : বাকীই হল কাল ; কেন্দুয়ায় মুদি দোকানিকে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ

One thought on “সাঘাটায় পাওনা টাকা ও জমি নিয়ে বিরোধ, সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবাদ”

আপনার মতামত প্রকাম করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার প্রদত্ত তথ্য আমাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে

প্রকাশকের তথ্য

সর্বাধিক পঠিত

কেন্দুয়ায় তাঁতী দলের কর্মী সম্মেলন, কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে নতুন দাবি

সাঘাটায় পাওনা টাকা ও জমি নিয়ে বিরোধ, সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবাদ

প্রকাশের সময় : ০৭:২৫:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

 

ফয়সাল রহমান জনি, গাইবান্ধা প্রতিনিধি | এসকেনিউজ২৪ 

পাওনা টাকা ফেরত না দেওয়া, জমি বিক্রিতে বাধা ও চাঁদা দাবির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. শামছুল আলম মিল্টন। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাকে মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে প্রকাশিত সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।
গতকাল শুক্রবার সাঘাটায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন শামছুল আলম মিল্টন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর সম্বন্ধী মো. শরিফুল আশরাফ চৌধুরী গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার যাদুরতাইড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করায় তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, জমিজমা ও অন্যান্য সম্পত্তির দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করে আসছেন শামছুল আলম মিল্টন।

তাঁর অভিযোগ, ২০২৪ সালে আনিসুর রহমান চৌধুরী একটি পুকুরের প্রায় ৮৪ শতক জমিতে মাটি কাটার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে শরিফুল আশরাফ চৌধুরীর কাছ থেকে ১১ লাখ টাকা নেন। পরে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ না করে ওই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন পর এক লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হলেও বাকি টাকা এখনো পাওনা রয়েছে বলে দাবি করেন শামছুল আলম মিল্টন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, শরিফুল আশরাফ চৌধুরীর জমি বিক্রির ক্ষেত্রেও বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে। জমি বিক্রি করলে টাকার অংশ দিতে হবে—এমন দাবি করে চাঁদা চাওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

শামছুল আলম মিল্টন বলেন, গত ৩০ সেপ্টেম্বর চৌধুরী গেটের সামনে পাওনা টাকা ও হিসাব-নিকাশের বিষয়ে আনিসুর রহমান চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়। একপর্যায়ে কথাকাটাকাটির মধ্যে তিনি আনিসুর রহমানের মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে নেন বলে জানান। পরে আনিসুর রহমান তাঁকে ও আরও কয়েকজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তাঁর দাবি, মামলার এজাহারে ঘটনার যে বিবরণ দেওয়া হয়েছে, তা সত্য নয়। এ ছাড়া গত ১ অক্টোবর ‘দৈনিক ইত্তেফাক অনলাইন’-এ প্রকাশিত ‘প্রাণনাশের হুমকি ও অস্ত্র ঠেকিয়ে মোটরসাইকেল ও টাকা ছিনতাই’ সংক্রান্ত সংবাদ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের প্রতিবাদ জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে শামছুল আলম মিল্টন ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি জানান। একই সঙ্গে পাওনা টাকা ও জমি-সংক্রান্ত বিরোধ আইনানুগভাবে নিষ্পত্তির আহ্বান জানান তিনি।

এসকে/জিএফ

আরো পড়ুন : বাকীই হল কাল ; কেন্দুয়ায় মুদি দোকানিকে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ