
কোহিনূর আলম, নিজস্ব প্রতিনিধি ||এসকেনিউজ২৪
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে (১৬) অপহরণের পর ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সহযোগী জনি মিয়াকে (১৮) প্রায় এগারো মাস পর গ্রেফতার করেছে র্যাব । একই সঙ্গে অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) বেলা দেড়টার দিকে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। প্রধান আসামি রনি (২২) তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে নাবালিকা হওয়ায় তার পরিবার ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রনি ও তার সহযোগীরা ওই স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পরিকল্পনা করে।
পরে কোচিংয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে আসামিরা তাকে জোরপূর্বক তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে আটকে রেখে প্রধান আসামি রনি তাকে ধর্ষণ করে বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালে কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (২২ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে র্যাব-১-এর সদর কোম্পানি, উত্তরা, ঢাকার আভিযানিক দল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভাটারা থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় অপহরণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে জনি মিয়াকে (১৮) গ্রেফতার এবং অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার জনি মিয়া নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার চিথোলিয়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে।
মামলার প্রধান আসামি রনি ও অপর আসামি রানাসহ জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলার তদন্ত অফিসার সূত্রে জানা গেছে, র্যাব-১ কর্তৃক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে মামলার মোট ৫ জন আসামির মধ্যে শামীম ও ঝর্ণা নামে আরও দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে প্রধান আসামি রনি ও রানা এখনো পলাতক রয়েছে।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, র্যাবের সহযোগিতায় মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। গ্রেফতার আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে এবং বাকীদের গ্রেফতার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে ।
এসকে/এনকে
আরো পড়ুন : কলমাকান্দায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
সম্পাদনা_দেলোয়ার হোসেন মাসুদ 

















One thought on “কেন্দুয়ায় অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় সহযোগী গ্রেফতার, কিশোরী উদ্ধার”