
কোহিনূর আলম, নিজস্ব প্রতিনিধি || এসকেনিউজ২৪
নেত্রকোণার কেন্দুয়া পৌরসভার পশ্চিম শান্তিবাগ মহল্লায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে জরুরি ভিত্তিতে ড্রেন নির্মাণের দাবি ও পৌরবিধি না মেনে ভবন নির্মাণের অভিযোগ জানিয়ে পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন এলাকাবাসী ।
আবেদনে এলাকাবাসী জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই পশ্চিম শান্তিবাগের বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও সড়কে পানি জমে যায়। বর্ষা মৌসুমে এ জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় স্থানীয়দের। কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় ময়লা-আবর্জনা ও নোংরা পানি জমে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি পানিবাহিত রোগের আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও রাস্তার পাশে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় কাজটি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এর মধ্যে কয়েকটি স্থানে পৌরবিধি না মেনে স্থায়ী পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে ড্রেন নির্মাণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে সড়ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
আবেদনে মাহমুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ইকবাল মাস্টারের বিরুদ্ধে পৌরবিধি অনুসরণ না করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ করা হয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, এর আগেও তার ভবন নির্মাণ নিয়ে অভিযোগ উঠলে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিফাতুল ইসলাম কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। তবে বর্তমান ইউএনও সানজিদা চৌধুরী যোগদানের পর পুনরায় ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইকবাল মাস্টার বলেন, আমি পৌরবিধি মেনেই বাসার কাজ করছি। পৌরসভায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া আছে। প্রয়োজনে পৌরসভায় যোগাযোগ করে বিষয়টি যাচাই করে দেখতে পারেন।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা কাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছি। উল্লেখিত বিষয়ে আগেও অভিযোগ হয়েছিল। তখন ইকবাল মাস্টার এক লাখ টাকা জরিমানাও দিয়েছিলেন।
কেন্দুয়া পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকাবাসী দ্রুত সরেজমিনে পরিদর্শন করে পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ড্রেন নির্মাণ এবং বিধিবহির্ভূত স্থাপনার বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এসকে/এনকে
আরো পড়ুন : খবরের অন্তরালে বিশুদ্ধ বাস্তবতা
সম্পাদনা_দেলোয়ার হোসেন মাসুদ 
















