ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে নেত্রকোণায় দিনে বিদ্যুৎ মিলছে মাত্র কয়েক ঘণ্টা

 

বিশেষ প্রতিনিধি ||এসকেনিউজ২৪ 

চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকেরও কম হওয়ায় নেত্রকোণায় চলছে ভয়াবহ লোডশেডিং। বিশেষ করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রামাঞ্চলে দিনে ১৬ থেকে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা। প্রচণ্ড গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার মধ্যে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। একই সঙ্গে গ্রাহকদের মধ্যে  বাড়ছে প্রচন্ড ক্ষোভ।

পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে গ্রাহকদের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায় সমিতির বিভিন্ন অফিস ও ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদারে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে চিঠি দিয়েছে নেত্রকোণা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গত তিন মাস ধরে গ্রামাঞ্চলে গড়ে ১৮ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গত ৭, ৮ ও ৯ আগস্টের চাহিদা-সরবরাহের হিসাবেও বিদ্যুৎ সংকটের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল ৪টায় জেলার বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১১০ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যায় মাত্র ৫৫ মেগাওয়াট। অর্থাৎ চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎও সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। ওই সময়ে ৫০ শতাংশ লোডশেডিং করতে হয়েছে।

পরদিন শনিবার (৮ আগস্ট)  বিকেল ৫টায় চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় ১২০ মেগাওয়াটে। বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যায় প্রায় ৬০ মেগাওয়াট। ৯ আগস্ট রাত ৮টার হিসাবেও চাহিদার তুলনায় সরবরাহে বড় ঘাটতি ছিল। ফলে ওই সময়গুলোতে ব্যাপক লোডশেডিং করতে হয়েছে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, তাদের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় দিন-রাত মিলিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৭২ থেকে ৭৯ শতাংশ পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। বর্তমানে জেলায় বিদ্যুতের মোট চাহিদা ১৮০ থেকে ১৮৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের চাহিদা ১৫৯ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে চাহিদার অর্ধেকেরও কম।

ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ গ্রীড থেকে নেত্রকোণা গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। সরবরাহ সংকটের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন পল্লী বিদ্যুতের আওতাধীন গ্রামাঞ্চলের মানুষ।

জেলার বিভিন্ন উপজেলার গ্রাহকেরা জানান, একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে চার-পাঁচ ঘণ্টার আগে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ আসে না। কিছুক্ষণ সরবরাহ থাকার পর আবারও চলে যায়। এতে পানি সরবরাহ, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে।

আটপাড়া উপজেলা সদরের বাসিন্দা মো. আঙুর মিয়া বলেন, ‘প্রায় দেড় মাস ধরে ভয়াবহ লোডশেডিং চলছে। রাতে বিদ্যুৎ থাকে না বললেই চলে। ২৪ ঘণ্টায় গড়ে সাত ঘণ্টাও বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না।’

কলমাকান্দার নক্তিপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এই গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার আগে আসে না। কিছুক্ষণ পর আবার চলে যায়।’

মোহনগঞ্জ সদরের সারোয়ার আলম খোকন বলেন, ‘কারেন্ট এই আসে, এই যায়। ফ্যান ঘুরতে ঘুরতেই আবার চলে যায়। একবার বিদ্যুৎ গেলে চার ঘণ্টার আগে দেখা মেলে না। দিনে গড়ে ছয় ঘণ্টার মতো বিদ্যুৎ থাকে।’
কেন্দুয়ার আশুজিয়া গ্রামের আনিসুর রহমান অভিযোগ করেন, কিছু ফিডারে তুলনামূলক বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলেও অন্য ফিডারগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে। এতে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীদের নিয়ে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

মদন উপজেলা সদরের বাসিন্দা মো. আল আমিন বলেন, ‘লোডশেডিংয়ের কারণে বাসার পানির মোটর চালানো যায় না। গরমে ঠিকমতো ঘুমাতে পারি না। সন্তানদের পড়াশোনাও ব্যাহত হচ্ছে।’

বারহাট্টা উপজেলার বাউসী ইউনিয়নের মৎস খামাড়ী মো আল আমিন বলেন প্রচন্ড গরমে পুকুরের পানি গড়ম হওয়া মাছ মারা যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এখন সময় মত পানি দিতে না পারলে মাছ মারা যাবে।

নেত্রকোণা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় জেলার ১৫টি উপকেন্দ্রে গ্রাহক রয়েছেন প্রায় ৬ লাখ ৭১ হাজার। অন্যদিকে জেলা শহরে পিডিবির তিনটি উপকেন্দ্রে গ্রাহক প্রায় ৫৭ হাজার। সব মিলিয়ে জেলায় বিদ্যুতের মোট গ্রাহক প্রায় ৭ লাখ ২৮ হাজার।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক (চলতি দায়িত্ব) মো. আকরাম হোসেন বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অর্ধেকের কম থাকায় ঘন ঘন লোডশেডিং করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় সমিতির আওতাধীন সব অফিস এবং ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।’

নেত্রকোণা পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তবে হাসপাতাল, আদালত, ব্যাংক ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের ফিডারে তুলনামূলক কম লোডশেডিং করা হচ্ছে।

নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদারে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং সংকট কাটিয়ে উঠতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

চাহিদার তুলনায় সরবরাহের এই বড় ঘাটতি কতদিন চলবে—এখন সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। দীর্ঘস্থায়ী এই বিদ্যুৎ সংকটে একদিকে যেমন জনদুর্ভোগ বাড়ছে, অন্যদিকে তীব্র গরমে পরিস্থিতি আরও অসহনীয় হয়ে উঠছে।

এসকে/এনএন

আরো পড়ুন : কারাভোগ শেষে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরল তিন তরুণী

আপনার মতামত প্রকাম করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার প্রদত্ত তথ্য আমাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে

প্রকাশকের তথ্য

সর্বাধিক পঠিত

নেত্রকোনায় ৫২৫ কেজি ভারতীয় ফুচকা জব্দ, গ্রেফতার ৪

ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে নেত্রকোণায় দিনে বিদ্যুৎ মিলছে মাত্র কয়েক ঘণ্টা

প্রকাশের সময় : ০৯:১৯:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

 

বিশেষ প্রতিনিধি ||এসকেনিউজ২৪ 

চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকেরও কম হওয়ায় নেত্রকোণায় চলছে ভয়াবহ লোডশেডিং। বিশেষ করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রামাঞ্চলে দিনে ১৬ থেকে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা। প্রচণ্ড গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার মধ্যে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। একই সঙ্গে গ্রাহকদের মধ্যে  বাড়ছে প্রচন্ড ক্ষোভ।

পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে গ্রাহকদের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায় সমিতির বিভিন্ন অফিস ও ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদারে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে চিঠি দিয়েছে নেত্রকোণা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গত তিন মাস ধরে গ্রামাঞ্চলে গড়ে ১৮ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গত ৭, ৮ ও ৯ আগস্টের চাহিদা-সরবরাহের হিসাবেও বিদ্যুৎ সংকটের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল ৪টায় জেলার বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১১০ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যায় মাত্র ৫৫ মেগাওয়াট। অর্থাৎ চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎও সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। ওই সময়ে ৫০ শতাংশ লোডশেডিং করতে হয়েছে।

পরদিন শনিবার (৮ আগস্ট)  বিকেল ৫টায় চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় ১২০ মেগাওয়াটে। বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যায় প্রায় ৬০ মেগাওয়াট। ৯ আগস্ট রাত ৮টার হিসাবেও চাহিদার তুলনায় সরবরাহে বড় ঘাটতি ছিল। ফলে ওই সময়গুলোতে ব্যাপক লোডশেডিং করতে হয়েছে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, তাদের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় দিন-রাত মিলিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৭২ থেকে ৭৯ শতাংশ পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। বর্তমানে জেলায় বিদ্যুতের মোট চাহিদা ১৮০ থেকে ১৮৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের চাহিদা ১৫৯ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে চাহিদার অর্ধেকেরও কম।

ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ গ্রীড থেকে নেত্রকোণা গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। সরবরাহ সংকটের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন পল্লী বিদ্যুতের আওতাধীন গ্রামাঞ্চলের মানুষ।

জেলার বিভিন্ন উপজেলার গ্রাহকেরা জানান, একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে চার-পাঁচ ঘণ্টার আগে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ আসে না। কিছুক্ষণ সরবরাহ থাকার পর আবারও চলে যায়। এতে পানি সরবরাহ, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে।

আটপাড়া উপজেলা সদরের বাসিন্দা মো. আঙুর মিয়া বলেন, ‘প্রায় দেড় মাস ধরে ভয়াবহ লোডশেডিং চলছে। রাতে বিদ্যুৎ থাকে না বললেই চলে। ২৪ ঘণ্টায় গড়ে সাত ঘণ্টাও বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না।’

কলমাকান্দার নক্তিপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এই গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার আগে আসে না। কিছুক্ষণ পর আবার চলে যায়।’

মোহনগঞ্জ সদরের সারোয়ার আলম খোকন বলেন, ‘কারেন্ট এই আসে, এই যায়। ফ্যান ঘুরতে ঘুরতেই আবার চলে যায়। একবার বিদ্যুৎ গেলে চার ঘণ্টার আগে দেখা মেলে না। দিনে গড়ে ছয় ঘণ্টার মতো বিদ্যুৎ থাকে।’
কেন্দুয়ার আশুজিয়া গ্রামের আনিসুর রহমান অভিযোগ করেন, কিছু ফিডারে তুলনামূলক বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলেও অন্য ফিডারগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে। এতে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীদের নিয়ে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

মদন উপজেলা সদরের বাসিন্দা মো. আল আমিন বলেন, ‘লোডশেডিংয়ের কারণে বাসার পানির মোটর চালানো যায় না। গরমে ঠিকমতো ঘুমাতে পারি না। সন্তানদের পড়াশোনাও ব্যাহত হচ্ছে।’

বারহাট্টা উপজেলার বাউসী ইউনিয়নের মৎস খামাড়ী মো আল আমিন বলেন প্রচন্ড গরমে পুকুরের পানি গড়ম হওয়া মাছ মারা যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এখন সময় মত পানি দিতে না পারলে মাছ মারা যাবে।

নেত্রকোণা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় জেলার ১৫টি উপকেন্দ্রে গ্রাহক রয়েছেন প্রায় ৬ লাখ ৭১ হাজার। অন্যদিকে জেলা শহরে পিডিবির তিনটি উপকেন্দ্রে গ্রাহক প্রায় ৫৭ হাজার। সব মিলিয়ে জেলায় বিদ্যুতের মোট গ্রাহক প্রায় ৭ লাখ ২৮ হাজার।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক (চলতি দায়িত্ব) মো. আকরাম হোসেন বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অর্ধেকের কম থাকায় ঘন ঘন লোডশেডিং করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় সমিতির আওতাধীন সব অফিস এবং ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।’

নেত্রকোণা পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তবে হাসপাতাল, আদালত, ব্যাংক ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের ফিডারে তুলনামূলক কম লোডশেডিং করা হচ্ছে।

নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদারে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং সংকট কাটিয়ে উঠতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

চাহিদার তুলনায় সরবরাহের এই বড় ঘাটতি কতদিন চলবে—এখন সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। দীর্ঘস্থায়ী এই বিদ্যুৎ সংকটে একদিকে যেমন জনদুর্ভোগ বাড়ছে, অন্যদিকে তীব্র গরমে পরিস্থিতি আরও অসহনীয় হয়ে উঠছে।

এসকে/এনএন

আরো পড়ুন : কারাভোগ শেষে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরল তিন তরুণী