ঢাকা ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘এক জীবনে সংগীতসাধনা ফুরাবার নয়’ মিউজিকে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী শিল্পী দিলবাহার খান

 

 

কোহিনূর আলম, নিজস্ব প্রতিনিধি ||এসকেনিউজ২৪ 

গান তাঁর কাছে শুধু বিনোদন নয়, জীবনচর্চা, মানুষের শিক্ষা ও সামাজিক সচেতনতারও অন্যতম মাধ্যম। শৈশব থেকেই সুরের প্রতি গভীর অনুরাগ নিয়ে সংগীতসাধনায় পথচলা শুরু। দীর্ঘ সাধনা, অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে আজ তিনি বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের নিয়মিত শিল্পী। বলছি মিউজিকে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী শিল্পী দিলবাহার খান দিলু-এর কথা।

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার কান্দিউড়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মণজাত গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে দিলবাহার খানের পৈতৃক ভিটা। তাঁর বাবা আব্দুস সামাদ খান ছিলেন একজন শিক্ষক এবং মা নূরজাহান আক্তার। তবে ১৯৬৪ সালের ৩ জানুয়ারি মদন উপজেলার ফতেপুর গ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

বাবা আব্দুস সামাদ খান পেশায় শিক্ষক হলেও সংগীতের প্রতি ছিল তাঁর গভীর অনুরাগ। মানুষ গড়ার পাশাপাশি গান-বাজনার প্রতিও তাঁর ছিল অগাধ নেশা। আদর করে ছেলেকে ডাকতেন ‘দিলু’ নামে। হয়তো বাবার প্রত্যাশা ছিল, ছেলে দিলুও তাঁর মতো শিক্ষক কিংবা কোনো চাকরিজীবী হবে। কিন্তু শৈশব থেকেই দিলবাহার খানের মনন ও মস্তিষ্কে গেঁথে যায় সুর ও সংগীতের প্রতি অদম্য আকর্ষণ।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়াকালেই টুকটাক গান গাওয়া শুরু করেন তিনি। হাইস্কুলে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে সহপাঠী ও শিক্ষকদের প্রশংসা অর্জন করেন। পরবর্তীতে কলেজের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন আয়োজনে নিয়মিত গান পরিবেশন করতে থাকেন। এভাবেই গানের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা ও অনুরাগ তৈরি হয়।

সংগীতজীবনে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির প্রথম বড় ধাপ আসে ২০০১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর। ওইদিন বাংলাদেশ বেতারের পল্লীগীতি বিভাগে ‘গ’ শ্রেণির শিল্পী হিসেবে উত্তীর্ণ হন তিনি। দীর্ঘ সাধনা ও দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ বর্তমানে বাংলাদেশ বেতারের পল্লীগীতি শাখায় বিশেষ শ্রেণির শিল্পী হিসেবে সংগীত পরিবেশন করছেন। ২০০২ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে তালিকাভুক্ত হন এবং বর্তমানে বিটিভির প্রথম শ্রেণির ‘ক’ শাখার শিল্পী হিসেবে নিয়মিত সংগীত পরিবেশন করে চলেছেন।এই সুদীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে তাঁর ধৈর্য, কঠোর পরিশ্রম ও একাগ্রতার কমতি ছিল না।

সংগীতজীবনের প্রথম দিকে নিজের বাবা আব্দুস সামাদ খানকেই গুরু হিসেবে মানতেন তিনি। লোকসংগীতে প্রখ্যাত ওস্তাদ মলয় কুমার গাঙ্গুলীর কাছে তালিম নেন। ঢাকার শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি থেকে মিউজিকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের সময় উচ্চাঙ্গসংগীতের ওস্তাদ ড. হারুন অর রশিদের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষে নজরুল ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেন দিলবাহার খান। এ সময় প্রথিতযশা ওস্তাদ সোহরাব হোসেন ও স্বাধীন দাসের শিষ্যত্বও গ্রহণ করেন। এছাড়াও শিক্ষক গোলাম মোস্তফা, বানেশ্বর বাবুসহ অনেক গুণীজনের শিষ্যত্ব ও সান্নিধ্য লাভ করেছেন এই আপাদমস্তক সংগীতপ্রেমী শিল্পী।

তাঁর সাধারণ শিক্ষাজীবনেও রয়েছে বৈচিত্র্য। ফতেপুর চত্রকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। এরপর কেন্দুয়ার জয়হরি স্প্রাই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। পরে কেন্দুয়া কলেজ ও গোপালপুর কলেজে অধ্যয়ন শেষে টাঙ্গাইলের গোপালপুর কলেজ থেকে বিকম ডিগ্রি অর্জন করেন।

দিলবাহার খানের জনপ্রিয় ও উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে—‘কি মোবাইল বানাইছো দয়াল’, ‘বারো মাসে তেরো পার্বণ’, ‘কত রঙের খেলছো খেলা’ এবং ‘সিডর না হয় আইলা’। এসব গানের মাধ্যমে তিনি শ্রোতাদের মাঝে নিজের স্বতন্ত্র পরিচিতি তৈরি করেছেন।

দীর্ঘ সংগীতজীবনে লোকগানকে শুধু বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে দেখেন নি দিলবাহার খান। মানুষের শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা ও মূল্যবোধ তৈরির ক্ষেত্রেও গানকে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার মনে করেন তিনি। গানকে পাথেয় করেই জীবনের পুরোটা সময় নতুন কিছু করার চিন্তা ও সংগীতসাধনায় ব্যস্ত রয়েছেন এই শিল্পী।

সংগীতের পাশাপাশি সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও রয়েছে তাঁর সক্রিয় সম্পৃক্ততা। বর্তমানে কেন্দুয়া লোকজ সাহিত্য আসর এর সদস্য ও ঐতিহ্যবাহী কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে সংগীতচর্চার এই সমন্বয় তাঁর বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিল্পীদের গানের ভাবনা ও করণীয় প্রসঙ্গে দিলবাহার খান দিলু বলেন, “বাউল গানে বর্তমানে এক ধরনের অশনি সংকেত চলছে। এ অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “এক জীবনে সংগীতসাধনা ফুরাবার নয়।”

শৈশবের সেই ছোট্ট ‘দিলু’ আজ দীর্ঘ সংগীতসাধনা, শিক্ষা ও পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে বেতার-টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠিত শিল্পী। তাঁর কাছে সংগীত কোনো ক্ষণিকের মোহ নয়; বরং আজীবনের সাধনা। লোকসংগীতের ঐতিহ্যকে ধারণ করে নতুন প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়েই এগিয়ে চলেছেন তিনি।

এসকে/এনকে

আরো পড়ুন : পুলিশের অভিযানে বেনাপোলে বিদেশী পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন ও ১৪ রাউন্ড গুলিসহ যুবক গ্রেফতার

আপনার মতামত প্রকাম করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার প্রদত্ত তথ্য আমাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে

প্রকাশকের তথ্য

সর্বাধিক পঠিত

নেত্রকোনায় ৫২৫ কেজি ভারতীয় ফুচকা জব্দ, গ্রেফতার ৪

‘এক জীবনে সংগীতসাধনা ফুরাবার নয়’ মিউজিকে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী শিল্পী দিলবাহার খান

প্রকাশের সময় : ১২:৫৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

 

 

কোহিনূর আলম, নিজস্ব প্রতিনিধি ||এসকেনিউজ২৪ 

গান তাঁর কাছে শুধু বিনোদন নয়, জীবনচর্চা, মানুষের শিক্ষা ও সামাজিক সচেতনতারও অন্যতম মাধ্যম। শৈশব থেকেই সুরের প্রতি গভীর অনুরাগ নিয়ে সংগীতসাধনায় পথচলা শুরু। দীর্ঘ সাধনা, অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে আজ তিনি বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের নিয়মিত শিল্পী। বলছি মিউজিকে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী শিল্পী দিলবাহার খান দিলু-এর কথা।

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার কান্দিউড়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মণজাত গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে দিলবাহার খানের পৈতৃক ভিটা। তাঁর বাবা আব্দুস সামাদ খান ছিলেন একজন শিক্ষক এবং মা নূরজাহান আক্তার। তবে ১৯৬৪ সালের ৩ জানুয়ারি মদন উপজেলার ফতেপুর গ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

বাবা আব্দুস সামাদ খান পেশায় শিক্ষক হলেও সংগীতের প্রতি ছিল তাঁর গভীর অনুরাগ। মানুষ গড়ার পাশাপাশি গান-বাজনার প্রতিও তাঁর ছিল অগাধ নেশা। আদর করে ছেলেকে ডাকতেন ‘দিলু’ নামে। হয়তো বাবার প্রত্যাশা ছিল, ছেলে দিলুও তাঁর মতো শিক্ষক কিংবা কোনো চাকরিজীবী হবে। কিন্তু শৈশব থেকেই দিলবাহার খানের মনন ও মস্তিষ্কে গেঁথে যায় সুর ও সংগীতের প্রতি অদম্য আকর্ষণ।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়াকালেই টুকটাক গান গাওয়া শুরু করেন তিনি। হাইস্কুলে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে সহপাঠী ও শিক্ষকদের প্রশংসা অর্জন করেন। পরবর্তীতে কলেজের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন আয়োজনে নিয়মিত গান পরিবেশন করতে থাকেন। এভাবেই গানের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা ও অনুরাগ তৈরি হয়।

সংগীতজীবনে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির প্রথম বড় ধাপ আসে ২০০১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর। ওইদিন বাংলাদেশ বেতারের পল্লীগীতি বিভাগে ‘গ’ শ্রেণির শিল্পী হিসেবে উত্তীর্ণ হন তিনি। দীর্ঘ সাধনা ও দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ বর্তমানে বাংলাদেশ বেতারের পল্লীগীতি শাখায় বিশেষ শ্রেণির শিল্পী হিসেবে সংগীত পরিবেশন করছেন। ২০০২ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে তালিকাভুক্ত হন এবং বর্তমানে বিটিভির প্রথম শ্রেণির ‘ক’ শাখার শিল্পী হিসেবে নিয়মিত সংগীত পরিবেশন করে চলেছেন।এই সুদীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে তাঁর ধৈর্য, কঠোর পরিশ্রম ও একাগ্রতার কমতি ছিল না।

সংগীতজীবনের প্রথম দিকে নিজের বাবা আব্দুস সামাদ খানকেই গুরু হিসেবে মানতেন তিনি। লোকসংগীতে প্রখ্যাত ওস্তাদ মলয় কুমার গাঙ্গুলীর কাছে তালিম নেন। ঢাকার শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি থেকে মিউজিকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের সময় উচ্চাঙ্গসংগীতের ওস্তাদ ড. হারুন অর রশিদের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষে নজরুল ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেন দিলবাহার খান। এ সময় প্রথিতযশা ওস্তাদ সোহরাব হোসেন ও স্বাধীন দাসের শিষ্যত্বও গ্রহণ করেন। এছাড়াও শিক্ষক গোলাম মোস্তফা, বানেশ্বর বাবুসহ অনেক গুণীজনের শিষ্যত্ব ও সান্নিধ্য লাভ করেছেন এই আপাদমস্তক সংগীতপ্রেমী শিল্পী।

তাঁর সাধারণ শিক্ষাজীবনেও রয়েছে বৈচিত্র্য। ফতেপুর চত্রকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। এরপর কেন্দুয়ার জয়হরি স্প্রাই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। পরে কেন্দুয়া কলেজ ও গোপালপুর কলেজে অধ্যয়ন শেষে টাঙ্গাইলের গোপালপুর কলেজ থেকে বিকম ডিগ্রি অর্জন করেন।

দিলবাহার খানের জনপ্রিয় ও উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে—‘কি মোবাইল বানাইছো দয়াল’, ‘বারো মাসে তেরো পার্বণ’, ‘কত রঙের খেলছো খেলা’ এবং ‘সিডর না হয় আইলা’। এসব গানের মাধ্যমে তিনি শ্রোতাদের মাঝে নিজের স্বতন্ত্র পরিচিতি তৈরি করেছেন।

দীর্ঘ সংগীতজীবনে লোকগানকে শুধু বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে দেখেন নি দিলবাহার খান। মানুষের শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা ও মূল্যবোধ তৈরির ক্ষেত্রেও গানকে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার মনে করেন তিনি। গানকে পাথেয় করেই জীবনের পুরোটা সময় নতুন কিছু করার চিন্তা ও সংগীতসাধনায় ব্যস্ত রয়েছেন এই শিল্পী।

সংগীতের পাশাপাশি সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও রয়েছে তাঁর সক্রিয় সম্পৃক্ততা। বর্তমানে কেন্দুয়া লোকজ সাহিত্য আসর এর সদস্য ও ঐতিহ্যবাহী কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে সংগীতচর্চার এই সমন্বয় তাঁর বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিল্পীদের গানের ভাবনা ও করণীয় প্রসঙ্গে দিলবাহার খান দিলু বলেন, “বাউল গানে বর্তমানে এক ধরনের অশনি সংকেত চলছে। এ অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “এক জীবনে সংগীতসাধনা ফুরাবার নয়।”

শৈশবের সেই ছোট্ট ‘দিলু’ আজ দীর্ঘ সংগীতসাধনা, শিক্ষা ও পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে বেতার-টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠিত শিল্পী। তাঁর কাছে সংগীত কোনো ক্ষণিকের মোহ নয়; বরং আজীবনের সাধনা। লোকসংগীতের ঐতিহ্যকে ধারণ করে নতুন প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়েই এগিয়ে চলেছেন তিনি।

এসকে/এনকে

আরো পড়ুন : পুলিশের অভিযানে বেনাপোলে বিদেশী পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন ও ১৪ রাউন্ড গুলিসহ যুবক গ্রেফতার