ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফসলী জমিতে কাজ করতে বাধা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

 

কোহিনূর আলম, নিজস্ব প্রতিনিধি || এসকেনিউজ২৪ 

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় ফসলী জমিতে কাজ করতে বাধা দেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার আশুজিয়া ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামের মৃত মিয়াফর আলীর ছেলে মো. মাসুদ করিম (৪২) একই গ্রামের ৪ জনের নামোল্লেখ করে এ অভিযোগ দায়ের করেন গত শনিবার (৪ জুলাই) ।

অভিযুক্তরা হলেন, আব্দুর রহীম ওরফে রুমালীর ছেলে খোকন মিয়া (৩৮), মৃত সাবদ আলীর ছেলে আব্দুল আলীম (জুয়েল), আব্দুল আলীম জুয়েল (৪৮) এর দুই ছেলে আশরাফুল ইসলাম ইমন (২৩) ও আরিফ (২০)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কৃষক মো. মাসুদ করিম গত শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে তাঁর পৈত্রিক ও স্বত্বদখলীয় জমিতে কাজ করতে গেলে উল্লেখিত অভিযুক্তরা সেখানে উপস্থিত হয়ে কাজে বাধা দেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হলে স্থানীয় কয়েকজন ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন । পরে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক জমি দখলের হুমকি দেন এবং বাধা দিলে যে কোন সময় খুন-জখম করার ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলে যান ।

মো. মাসুদ করিম বলেন, এর আগে ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ও গ্রাম্য মাতবররা কাগজপত্র দেখে ও জমি মাপজোক করে আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন । প্রতিপক্ষরাও মেনে নিয়েছিলেন । কিন্তু এখন আবার তারা উচ্ছৃঙ্খল হয়ে ওঠেছে । এমনকি আমাকে মারধরও করেছে । বাড়িতে আমি বৃদ্ধ মাকে নিয়ে থাকি । তিনি ভীষণভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও দাবি করেন ।

স্থানীয় মো. আমিরুল ইসলাম (৪২), মো. সেলিম মিয়া (৫৫) সহ কয়েকজনের সঙ্গে কথা হলে এর সত্যতাও মিলে । তবে তারা সবাই এও চান যে, বিষয়টি স্থায়ীভাবে সমাধান হোক ।

অভিযুক্তদের একজন গ্রাম্য সালিসিতে সমাধানের বিষয়ে স্বীকারোক্তি দিলেও দাবি করেন আমি আদালতের মাধ্যমে নতুনভাবে নিষেধাজ্ঞা এনেছি । এই জমিতে মাসুদ এখন যেতে পারবে না ৷ কারণ জমিতে তাঁর অধিকার রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি । মাসুদকে মারধরের অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি ।

অভিযোগের বিষয়ে কেন্দুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ তদন্ত করছে বলে জানান ।

এসকে/এনকে

আরো পড়ুন : মরহুম ফয়েজ উদ্দিন আহমেদের  আজ ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী

আপনার মতামত প্রকাম করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার প্রদত্ত তথ্য আমাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে

প্রকাশকের তথ্য

সর্বাধিক পঠিত

কেন্দুয়া প্রেসক্লাবে ওসির মতবিনিময় 

ফসলী জমিতে কাজ করতে বাধা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৮:০০:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

 

কোহিনূর আলম, নিজস্ব প্রতিনিধি || এসকেনিউজ২৪ 

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় ফসলী জমিতে কাজ করতে বাধা দেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার আশুজিয়া ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামের মৃত মিয়াফর আলীর ছেলে মো. মাসুদ করিম (৪২) একই গ্রামের ৪ জনের নামোল্লেখ করে এ অভিযোগ দায়ের করেন গত শনিবার (৪ জুলাই) ।

অভিযুক্তরা হলেন, আব্দুর রহীম ওরফে রুমালীর ছেলে খোকন মিয়া (৩৮), মৃত সাবদ আলীর ছেলে আব্দুল আলীম (জুয়েল), আব্দুল আলীম জুয়েল (৪৮) এর দুই ছেলে আশরাফুল ইসলাম ইমন (২৩) ও আরিফ (২০)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কৃষক মো. মাসুদ করিম গত শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে তাঁর পৈত্রিক ও স্বত্বদখলীয় জমিতে কাজ করতে গেলে উল্লেখিত অভিযুক্তরা সেখানে উপস্থিত হয়ে কাজে বাধা দেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হলে স্থানীয় কয়েকজন ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন । পরে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক জমি দখলের হুমকি দেন এবং বাধা দিলে যে কোন সময় খুন-জখম করার ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলে যান ।

মো. মাসুদ করিম বলেন, এর আগে ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ও গ্রাম্য মাতবররা কাগজপত্র দেখে ও জমি মাপজোক করে আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন । প্রতিপক্ষরাও মেনে নিয়েছিলেন । কিন্তু এখন আবার তারা উচ্ছৃঙ্খল হয়ে ওঠেছে । এমনকি আমাকে মারধরও করেছে । বাড়িতে আমি বৃদ্ধ মাকে নিয়ে থাকি । তিনি ভীষণভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও দাবি করেন ।

স্থানীয় মো. আমিরুল ইসলাম (৪২), মো. সেলিম মিয়া (৫৫) সহ কয়েকজনের সঙ্গে কথা হলে এর সত্যতাও মিলে । তবে তারা সবাই এও চান যে, বিষয়টি স্থায়ীভাবে সমাধান হোক ।

অভিযুক্তদের একজন গ্রাম্য সালিসিতে সমাধানের বিষয়ে স্বীকারোক্তি দিলেও দাবি করেন আমি আদালতের মাধ্যমে নতুনভাবে নিষেধাজ্ঞা এনেছি । এই জমিতে মাসুদ এখন যেতে পারবে না ৷ কারণ জমিতে তাঁর অধিকার রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি । মাসুদকে মারধরের অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি ।

অভিযোগের বিষয়ে কেন্দুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ তদন্ত করছে বলে জানান ।

এসকে/এনকে

আরো পড়ুন : মরহুম ফয়েজ উদ্দিন আহমেদের  আজ ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী