
নিজস্ব প্রতিনিধি :
নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে রাশিয়ায় পাচার করা অন্তত ২০ বাংলাদেশি ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত হয়েছেন। বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) এ তথ্য জানিয়েছে।
পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মানবপাচারকারী চক্র স্থানীয় এজেন্টদের মাধ্যমে বাংলাদেশিদের রাশিয়ায় নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁদের জোরপূর্বক তিন সপ্তাহের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং পরে রুশ সামরিক বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ সময় তাঁদের পাসপোর্ট ও মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এসআরবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, চলতি বছরের মে মাসের শুরুতে অন্তত ৩০ বাংলাদেশিকে রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ১৭ জন যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েনের দিনই ড্রোন হামলায় নিহত হন। পরে আহত অবস্থায় দেশে ফেরা এক বাংলাদেশির ভাষ্য অনুযায়ী, আরও তিনজন হাসপাতালে মারা যান।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ওই দলের আরও দুই বাংলাদেশি মস্কোর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং ছয়জন এখনো যুদ্ধক্ষেত্রে রয়েছেন। আহত অবস্থায় দেশে ফেরা দুই বাংলাদেশির বক্তব্যের ভিত্তিতে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, বাংলাদেশিদের কোনো সামরিক অভিজ্ঞতা বা যুদ্ধের উপযোগী প্রশিক্ষণ ছিল না। তাঁদের শত্রুপক্ষের অবস্থান শনাক্তে ‘টোপ’ হিসেবে ব্যবহার করার জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছিল।
এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রলোভনে মানবপাচার এবং বাংলাদেশিদের যুদ্ধক্ষেত্রে জোরপূর্বক ব্যবহারের গুরুতর চিত্র তুলে ধরেছে।
এসকে/এনআই
আরও পড়ুন : পূর্বধলায় যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী’র প্রস্তুতিমূলক সভা
এসকেনিউজ২৪ | সত্যের পথে কলমের সাথে | নেত্রকোনার খবরসহ দেশ-বিদেশের সর্বশেষ সংবাদে চোখ রাখুন
সম্পাদনা_দেলোয়ার হোসেন মাসুদ 



















One thought on “চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় পাচার, যুদ্ধে প্রাণ গেল ২০ বাংলাদেশির”