ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলমাকান্দায় গ্রামীণ নারী সম্মাননা পেলেন ১০ নারী : নারীর ক্ষমতায়ন ও স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ গঠনে অবদানের স্বীকৃতি




 

নিজস্ব প্রতিনিধি : 

গ্রামীণ নারীর অবদান, অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আহ্বানের মধ্য দিয়ে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত ‘গ্রামীণ নারী সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে ১০ জন নারীকে সম্মাননা দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) উপজেলার নয়াপাড়া এগ্রোইকোলজি লার্নিং সেন্টারে বারসিক ও গ্রিন কোয়ালিশন, কলমাকান্দার উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল—‘ গ্রামীণ নারীর উত্থান: বেইজিং-৩০ এবং স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ তৈরি করা’।

কলমাকান্দা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও গ্রিন কোয়ালিশনের সভাপতি এ কে এম শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জান্নাতুল ইসলাম মীম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রিপন সাহা, খারনৈ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওবায়দুল হক, সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কলি আক্তার, কলমাকান্দা প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ শামীম, টিডব্লিউএ চেয়ারম্যান মুকুট স্নাল ও সাধারণ সম্পাদক সুজিত মানথিন, নারী পুলিশ সদস্য পাপিয়া আক্তার, ইউপি সদস্য তাজউদ্দিন আহমেদ, গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক টিউলিপ মুং, নলছাপ্রা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কপোতী ঘাগড়া এবং শিক্ষক মাহমুদা আক্তার।

অনুষ্ঠানে বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার মো. আলমগীর উপস্থিত ছিলেন। সঞ্চালনা করেন বারসিকের উপজেলা সমন্বয়কারী গুঞ্জন রেমা ও আল্পনা নাফাক।

বক্তারা বলেন, গ্রামীণ নারীরা কৃষি উৎপাদন, পরিবারের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের শ্রম ও অবদানকে যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়াতে হবে।

তাঁরা আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই ও স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে গ্রামীণ নারীদের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও নেতৃত্বকে কাজে লাগানো জরুরি। নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা গেলে পরিবার, সমাজ ও স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে অংশগ্রহণকারীরা নয়াপাড়া এগ্রোইকোলজি লার্নিং সেন্টারে স্থাপিত বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। এসব স্টলে স্থানীয় কৃষি, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ ও গ্রামীণ জীবনযাত্রার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।

আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ নারীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের অধিকার, মর্যাদা ও ক্ষমতায়ন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এসকে/এনআর

আরও পড়ুন : ধনু নদে চাঁদা আদায়, দুইজনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

এসকেনিউজ২৪ | সত্যের পথে কলমের সাথে

 

One thought on “কলমাকান্দায় গ্রামীণ নারী সম্মাননা পেলেন ১০ নারী : নারীর ক্ষমতায়ন ও স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ গঠনে অবদানের স্বীকৃতি”

আপনার মতামত প্রকাম করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার প্রদত্ত তথ্য আমাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে

প্রকাশকের তথ্য

সর্বাধিক পঠিত

সাংবাদিক আলিফ হত্যা : অপূর্বর ফের ৪ দিনের রিমান্ড

কলমাকান্দায় গ্রামীণ নারী সম্মাননা পেলেন ১০ নারী : নারীর ক্ষমতায়ন ও স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ গঠনে অবদানের স্বীকৃতি

প্রকাশের সময় : ০৫:৪০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিনিধি : 

গ্রামীণ নারীর অবদান, অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আহ্বানের মধ্য দিয়ে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত ‘গ্রামীণ নারী সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে ১০ জন নারীকে সম্মাননা দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) উপজেলার নয়াপাড়া এগ্রোইকোলজি লার্নিং সেন্টারে বারসিক ও গ্রিন কোয়ালিশন, কলমাকান্দার উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল—‘ গ্রামীণ নারীর উত্থান: বেইজিং-৩০ এবং স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ তৈরি করা’।

কলমাকান্দা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও গ্রিন কোয়ালিশনের সভাপতি এ কে এম শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জান্নাতুল ইসলাম মীম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রিপন সাহা, খারনৈ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওবায়দুল হক, সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কলি আক্তার, কলমাকান্দা প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ শামীম, টিডব্লিউএ চেয়ারম্যান মুকুট স্নাল ও সাধারণ সম্পাদক সুজিত মানথিন, নারী পুলিশ সদস্য পাপিয়া আক্তার, ইউপি সদস্য তাজউদ্দিন আহমেদ, গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক টিউলিপ মুং, নলছাপ্রা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কপোতী ঘাগড়া এবং শিক্ষক মাহমুদা আক্তার।

অনুষ্ঠানে বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার মো. আলমগীর উপস্থিত ছিলেন। সঞ্চালনা করেন বারসিকের উপজেলা সমন্বয়কারী গুঞ্জন রেমা ও আল্পনা নাফাক।

বক্তারা বলেন, গ্রামীণ নারীরা কৃষি উৎপাদন, পরিবারের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের শ্রম ও অবদানকে যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়াতে হবে।

তাঁরা আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই ও স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে গ্রামীণ নারীদের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও নেতৃত্বকে কাজে লাগানো জরুরি। নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা গেলে পরিবার, সমাজ ও স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে অংশগ্রহণকারীরা নয়াপাড়া এগ্রোইকোলজি লার্নিং সেন্টারে স্থাপিত বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। এসব স্টলে স্থানীয় কৃষি, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ ও গ্রামীণ জীবনযাত্রার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।

আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ নারীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের অধিকার, মর্যাদা ও ক্ষমতায়ন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এসকে/এনআর

আরও পড়ুন : ধনু নদে চাঁদা আদায়, দুইজনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

এসকেনিউজ২৪ | সত্যের পথে কলমের সাথে