ঢাকা ০৭:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিএনএ পরীক্ষায় মিল : মদনে শিশুকে ধর্ষণের মামলায় চার্জশিট শিগগিরই

 

নিজস্ব  প্রতিনিধি || এসকেনিউজ২৪ 

নেত্রকোণার মদনে ১১ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএ পরীক্ষায় নবজাতকের সঙ্গে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল পাওয়া গেছে।

সোমবার সন্ধ্যায় নেত্রকোণা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, চার্জশিট দাখিলের আগে বিশেষজ্ঞ মতামতের জন্য পাঠানো ডিএনএ প্রতিবেদনে অভিযুক্ত আমান উল্লাহ ও শিশুটির জন্ম দেওয়া কন্যাসন্তানের মধ্যে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল পাওয়া গেছে। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হতে পারে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাটির শুনানির জন্য সোমবার দিন ধার্য ছিল। তবে কিছু আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় ডিএনএ প্রতিবেদনটি চার্জশিটের সঙ্গে আদালতে জমা দেওয়া হবে। একই দিন অভিযুক্তের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত।

আদালতের নির্দেশে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) গত ২৮ জুলাই সিলেটের একটি সেফ হোম থেকে নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে। এর আগে গত ১৭ মে অভিযুক্ত আমান উল্লাহর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।

গত ২ জুলাই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১ বছর বয়সী শিশুটি একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়। শিশুটির নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে তার মায়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ মে আদালত তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত সিলেটের একটি সেফ হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আমান উল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত একাধিকবার শিশুটিকে ধর্ষণ করায় সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

মামলার পর গত ৭ মে আদালত আমান উল্লাহকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান। রিমান্ড শেষে ১০ মে তাকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করেন। আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করেন।

ডিএনএ প্রতিবেদনে অভিযুক্ত ও নবজাতকের মধ্যে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল পাওয়ার পর মামলাটির তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এখন চার্জশিট দাখিলের দিকে এগোচ্ছে।

এসকে/এনএম

আরো পড়ুন : সবুজে সাজবে কলমাকান্দা, পুবালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ

আপনার মতামত প্রকাম করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার প্রদত্ত তথ্য আমাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে

প্রকাশকের তথ্য

সর্বাধিক পঠিত

নেত্রকোনায় ৫২৫ কেজি ভারতীয় ফুচকা জব্দ, গ্রেফতার ৪

ডিএনএ পরীক্ষায় মিল : মদনে শিশুকে ধর্ষণের মামলায় চার্জশিট শিগগিরই

প্রকাশের সময় : ০৩:০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

 

নিজস্ব  প্রতিনিধি || এসকেনিউজ২৪ 

নেত্রকোণার মদনে ১১ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএ পরীক্ষায় নবজাতকের সঙ্গে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল পাওয়া গেছে।

সোমবার সন্ধ্যায় নেত্রকোণা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, চার্জশিট দাখিলের আগে বিশেষজ্ঞ মতামতের জন্য পাঠানো ডিএনএ প্রতিবেদনে অভিযুক্ত আমান উল্লাহ ও শিশুটির জন্ম দেওয়া কন্যাসন্তানের মধ্যে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল পাওয়া গেছে। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হতে পারে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাটির শুনানির জন্য সোমবার দিন ধার্য ছিল। তবে কিছু আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় ডিএনএ প্রতিবেদনটি চার্জশিটের সঙ্গে আদালতে জমা দেওয়া হবে। একই দিন অভিযুক্তের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত।

আদালতের নির্দেশে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) গত ২৮ জুলাই সিলেটের একটি সেফ হোম থেকে নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে। এর আগে গত ১৭ মে অভিযুক্ত আমান উল্লাহর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।

গত ২ জুলাই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১ বছর বয়সী শিশুটি একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়। শিশুটির নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে তার মায়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ মে আদালত তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত সিলেটের একটি সেফ হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আমান উল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত একাধিকবার শিশুটিকে ধর্ষণ করায় সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

মামলার পর গত ৭ মে আদালত আমান উল্লাহকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান। রিমান্ড শেষে ১০ মে তাকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করেন। আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করেন।

ডিএনএ প্রতিবেদনে অভিযুক্ত ও নবজাতকের মধ্যে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল পাওয়ার পর মামলাটির তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এখন চার্জশিট দাখিলের দিকে এগোচ্ছে।

এসকে/এনএম

আরো পড়ুন : সবুজে সাজবে কলমাকান্দা, পুবালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ