ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খবরের অন্তরালে বিশুদ্ধ বাস্তবতা

 

সুমন মাহমুদ শেখ, মোহনগঞ্জ প্রতিনিধি || এসকেনিউজ২৪ 

গত ১০-আগস্ট ২৬খ্রি. মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৪ বছরের এক কিশোরের মৃত্যুকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল। এ বিষয়ে গত ১২-০৮-২৬খ্রি তারিখে বেশ কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে নিউজ হয়েছিল। যেগুলো ছিল মূলতঃ উদ্দেশ্য প্রণোদিত অসত্য ও অর্ধ সত্য সংবাদ।

এমন একটা স্পর্শকাতর বিষয়ে এভাবে সংবাদ পরিবেশন করায় সংশ্লিষ্ট দন্ত চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম হিরনের মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি প্রকাশিত এসব অসত্য ও অর্ধসত্য সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

মূল ঘটনা সম্পর্কে তিনি বলেন- “লিয়ন নামের ওই কিশোরকে প্রথম বার আমার কাছে নিয়ে আসে তার মা-বাবা ০৯-০৮-২৬ তারিখে। লিয়নের মাড়িত ক্ষত হয়েছে রক্ত ঝরে বলে। আমি পরীক্ষা করে দেখি তার মুখ গহ্বরে ক্ষত হয়ে আছে। যা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল ও রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। যা মূলতঃ ক্যানসার! আমি ড্রেসিং করে ওষুধ দিয়ে তার বাবাকে বলি, আপনার ছেলের ক্যানসার হয়েছে, উন্নত চিকিৎসার জন্যে ময়মনসিংহে নিয়ে যান।”

“পর দিন সকাল দশটা সাড়ে দশটার দিকে (১০-০৮-২৬) আবার আসেন রক্তক্ষরণ বন্ধ হচ্ছে না বলে, আমি তার অবস্থা দেখে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেন্টিস্ট জয়া রাণী দেবনাথের কাছে নিয়ে যেতে বলি। এমনকি আমি নিজেও রোগীর সাথে হাসপাতালে যাই। ইতোমধ্যে তার অবস্থার দ্রুত অবনতি হচ্ছে। জয়া রাণী দেবনাথ রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্যে ময়মনসিংহ রেফার করেন। তার বাবা তাকে নিয়ে বাসায় চলে যায়।”

এ দিন বিকেলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন তার বাবা। কিছুক্ষণ পরই দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”
এরপর কিছু উশৃংখল লোক উত্তেজিত হয়ে দন্ত চিকিৎসক হীরনের চেম্বারে হামলা করে চিকিৎসা সামগ্রী ভাঙচুর করে।

এ বিষয়ে নিহত কিশোরের বাবা খোকন মিয়া বলেন, “আমার ছেলে অসুস্থ হয়ে মারা গেছে, এ ব্যাপারে কারো প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তিনি এ ব্যাপারে কোথাও কোনো অভিযোগও করেননি।

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন- “এ ঘটনার শুনে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছি। তবে এ ব্যাপারে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাইনি।”

এসকে/এনএস 

আরো পড়ুন : হাইকোর্টের নির্দেশে ভেঙ্গে ফেলা হলো অবৈধ ইটভাটার চিমনি

আপনার মতামত প্রকাম করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার প্রদত্ত তথ্য আমাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে

প্রকাশকের তথ্য

সর্বাধিক পঠিত

নেত্রকোনায় ৫২৫ কেজি ভারতীয় ফুচকা জব্দ, গ্রেফতার ৪

খবরের অন্তরালে বিশুদ্ধ বাস্তবতা

প্রকাশের সময় : ০৩:৩৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

 

সুমন মাহমুদ শেখ, মোহনগঞ্জ প্রতিনিধি || এসকেনিউজ২৪ 

গত ১০-আগস্ট ২৬খ্রি. মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৪ বছরের এক কিশোরের মৃত্যুকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল। এ বিষয়ে গত ১২-০৮-২৬খ্রি তারিখে বেশ কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে নিউজ হয়েছিল। যেগুলো ছিল মূলতঃ উদ্দেশ্য প্রণোদিত অসত্য ও অর্ধ সত্য সংবাদ।

এমন একটা স্পর্শকাতর বিষয়ে এভাবে সংবাদ পরিবেশন করায় সংশ্লিষ্ট দন্ত চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম হিরনের মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি প্রকাশিত এসব অসত্য ও অর্ধসত্য সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

মূল ঘটনা সম্পর্কে তিনি বলেন- “লিয়ন নামের ওই কিশোরকে প্রথম বার আমার কাছে নিয়ে আসে তার মা-বাবা ০৯-০৮-২৬ তারিখে। লিয়নের মাড়িত ক্ষত হয়েছে রক্ত ঝরে বলে। আমি পরীক্ষা করে দেখি তার মুখ গহ্বরে ক্ষত হয়ে আছে। যা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল ও রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। যা মূলতঃ ক্যানসার! আমি ড্রেসিং করে ওষুধ দিয়ে তার বাবাকে বলি, আপনার ছেলের ক্যানসার হয়েছে, উন্নত চিকিৎসার জন্যে ময়মনসিংহে নিয়ে যান।”

“পর দিন সকাল দশটা সাড়ে দশটার দিকে (১০-০৮-২৬) আবার আসেন রক্তক্ষরণ বন্ধ হচ্ছে না বলে, আমি তার অবস্থা দেখে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেন্টিস্ট জয়া রাণী দেবনাথের কাছে নিয়ে যেতে বলি। এমনকি আমি নিজেও রোগীর সাথে হাসপাতালে যাই। ইতোমধ্যে তার অবস্থার দ্রুত অবনতি হচ্ছে। জয়া রাণী দেবনাথ রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্যে ময়মনসিংহ রেফার করেন। তার বাবা তাকে নিয়ে বাসায় চলে যায়।”

এ দিন বিকেলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন তার বাবা। কিছুক্ষণ পরই দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”
এরপর কিছু উশৃংখল লোক উত্তেজিত হয়ে দন্ত চিকিৎসক হীরনের চেম্বারে হামলা করে চিকিৎসা সামগ্রী ভাঙচুর করে।

এ বিষয়ে নিহত কিশোরের বাবা খোকন মিয়া বলেন, “আমার ছেলে অসুস্থ হয়ে মারা গেছে, এ ব্যাপারে কারো প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তিনি এ ব্যাপারে কোথাও কোনো অভিযোগও করেননি।

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন- “এ ঘটনার শুনে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছি। তবে এ ব্যাপারে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাইনি।”

এসকে/এনএস 

আরো পড়ুন : হাইকোর্টের নির্দেশে ভেঙ্গে ফেলা হলো অবৈধ ইটভাটার চিমনি