
কোহিনূর আলম, নিজস্ব প্রতিনিধি || এসকেনিউজ২৪
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার কান্দিউড়া ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের পাছপাড়া ও পাথারিয়া পাড়ার যৌথ উদ্যোগে গ্রামীণ উন্নয়ন ও জনকল্যাণের লক্ষ্যে স্থানীয় কচুয়া বিলে মাছ চাষের জন্য তৈরি করা জালের বেষ্টনী কেটে ও ভাসিয়ে দিয়ে মাছ ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রায়, ৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন উদ্যোক্তারা।
জানা যায়, স্থানীয় কচুয়া বিলের প্রায় ১০-১২ কাটা জায়গাজুড়ে জাল দিয়ে বেষ্টনী তৈরি করে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করা হয়েছিলো । এতে মো. খোকন মিয়াসহ কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি বিনিয়োগ করেছিলেন। তাঁদের পরিকল্পনা ছিল, মাছ বিক্রির লভ্যাংশ দিয়ে এলাকার অসহায় মানুষের সহায়তা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা।
অভিযোগ রয়েছে, গত ৫ আগস্ট দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তরা বেষ্টনীর জাল কেটে এবং পানির নিচ থেকে তুলে দিয়ে চাষকৃত মাছ বের করে দেয়। এতে উদ্যোক্তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকালে সরেজমিনে গিয়ে বেষ্টনীর বিভিন্ন স্থানে জাল সেলাইয়ের চিহ্ন দেখা যায়, যা পরে মেরামত করা হয়েছে। এছাড়া বেষ্টনীর ভেতরে এখনো কিছু মাছ ভেসে খাবার খেতে দেখা গেছে।
উদ্যোক্তা মো. খোকন মিয়া বলেন, দুর্বৃত্তরা জাল কেটে ও ভাসিয়ে দিয়ে মাছ বের করে দিয়েছে। এতে আমাদের প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে উপজেলা মৎস্য অফিস ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন।
হাওর ও বিলটির তত্ত্বাবধানে থাকা স্থানীয় মো. নীরব হোসেন, মো. শরীফ মিয়া এবং স্থানীয় মসজিদ কমিটির সদস্য মো. রহিম উদ্দিন বলেন, যারা এ অপরাধ কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। এ বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করছি।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বিষয়টি লিখিতভাবে জানানোর পরামর্শ দিয়ে মুঠোফোনে বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এসকে/এনকে
আরো পড়ুন : কেন্দুয়ায় মাদক, জুয়া, অনলাইন জুয়া, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ রোধে সচেতনতামূলক সভা
সম্পাদনা_দেলোয়ার হোসেন মাসুদ 
















