
নিজস্ব প্রতিনিধি || এসকেনিউজ২৪
মাটির নিচে পুঁতে রাখা মাংস ১০ দিন পরও তুলনামূলক অক্ষত থাকায় নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস এনে কেন্দুয়া পৌরশহরে বিক্রির অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় আলোচিত মাংসের নমুনা সংগ্রহ করেছে । তা ল্যাবে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মতিউর রহমান ।
অভিযোগ রয়েছে, গৌরীপুরের সনাটি ইউনিয়নের আকালপাড়া গ্রামের প্রবাস চন্দ্র সূত্রধরের অসুস্থ বা মৃত গরুটি জবাই করে এক দালালের মাধ্যমে কেন্দুয়ার মাংস ব্যবসায়ী আরাধনের কাছে বিক্রি করা হয়। আরাধন প্রায় ৫০ কেজি মাংস ৬ হাজার টাকায় কেনার কথা স্বীকার করলেও দাবি করেন, গরুটির মৃত্যুর খবর জানার পর তিনি মাংস মাটিতে পুঁতে রাখেন।
স্থানীয় লোকজনসহ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মতিউর রহমান বলেন, ২ সেপ্টেম্বরের ঘটনা হলে ১২ সেপ্টেম্বর উত্তোলনের পর মাংসের এমন অবস্থা বা সতেজ থাকার বিষয়টি নিয়ে সংশয় রয়েছে। এটি আগে ফ্রিজিং করা হয়েছিল কি না, তাও পরীক্ষার প্রয়োজন।
এদিকে কেন্দুয়ার বিভিন্ন বাজারে পশু জবাইয়ের আগে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কোনো মাংস ব্যবসায়ীর লাইসেন্স নেই বলেও জানান প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় প্রতিদিন পশু পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না বলেও তিনি জানান।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান ভূইয়া মজুন সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
এ দিকে ল্যাবে পাঠানো মাংসটি প্রবাস চন্দ্র সূত্রধরের ওই গরুরই মাংসই কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক সানজিদা চৌধুরী বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে ।
এসকে/এনকে
আরো পড়ুন : ৫০ কোটির সাংস্কৃতিক কেন্দ্রও নীরব, তালাবদ্ধ শিল্পকলায় হারিয়ে গেছে বাদ্যযন্ত্র
সম্পাদনা_দেলোয়ার হোসেন মাসুদ 




















One thought on “মরা গরুর মাংসের অভিযোগে কেন্দুয়ায় চাঞ্চল্য, ল্যাবে যাচ্ছে নমুনা”