ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সালিশে মীমাংসার উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পুলিশের

মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরির বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ



 

কোহিনূর আলম, নিজস্ব প্রতিনিধি : 

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এক দপ্তরির বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অভিযুক্ত দপ্তরির নাম দিদারুল আলম বিদ্যুৎ। তিনি মজলিশপুর গ্রামের রেজাউল আলম ঢালুর ছেলে। অভিযোগের শিকার শিক্ষার্থীও একই গ্রামের বাসিন্দা এবং বিদ্যালয়টির ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ে জড়ো হন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত দপ্তরিকে নিজের হেফাজতে নিয়ে বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে দেন বলে জানা গেছে।

বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক (দিলু মাস্টার) বলেন, তিনি এমন একটি ঘটনার কথা শুনেছেন। বিষয়টি জানার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা করে শুক্রবার সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার দিন ধার্য করা হয়েছে। এ সময় তিনি আপাতত সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।

তবে অভিযোগের মতো গুরুতর ঘটনায় সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার উদ্যোগ নিয়ে স্থানীয়দের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের দাবি, বিষয়টি প্রশাসনের মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এদিকে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিযুক্ত দপ্তরির বাড়িতে গিয়ে তাঁদের কাউকে পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি জানার পর পেমই তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফলাফল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এসকে/এনকে

আরও পড়ুন : নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা

এসকেনিউজ২৪ | সত্যের পথে কলমের সাথে 

One thought on “মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরির বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ”

আপনার মতামত প্রকাম করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার প্রদত্ত তথ্য আমাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে

প্রকাশকের তথ্য

সর্বাধিক পঠিত

​সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ হত্যার খুনিদের শাস্তির দাবিতে সুনামগঞ্জে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মানববন্ধন

সালিশে মীমাংসার উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পুলিশের

মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরির বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ১১:২১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

 

কোহিনূর আলম, নিজস্ব প্রতিনিধি : 

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এক দপ্তরির বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অভিযুক্ত দপ্তরির নাম দিদারুল আলম বিদ্যুৎ। তিনি মজলিশপুর গ্রামের রেজাউল আলম ঢালুর ছেলে। অভিযোগের শিকার শিক্ষার্থীও একই গ্রামের বাসিন্দা এবং বিদ্যালয়টির ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ে জড়ো হন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত দপ্তরিকে নিজের হেফাজতে নিয়ে বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে দেন বলে জানা গেছে।

বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক (দিলু মাস্টার) বলেন, তিনি এমন একটি ঘটনার কথা শুনেছেন। বিষয়টি জানার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা করে শুক্রবার সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার দিন ধার্য করা হয়েছে। এ সময় তিনি আপাতত সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।

তবে অভিযোগের মতো গুরুতর ঘটনায় সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার উদ্যোগ নিয়ে স্থানীয়দের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের দাবি, বিষয়টি প্রশাসনের মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এদিকে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিযুক্ত দপ্তরির বাড়িতে গিয়ে তাঁদের কাউকে পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি জানার পর পেমই তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফলাফল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এসকে/এনকে

আরও পড়ুন : নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা

এসকেনিউজ২৪ | সত্যের পথে কলমের সাথে