
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | এসকেনিউজ২৪
নেপালের মধ্যাঞ্চলে ভূমিধসের কারণে নদীর গতিপথ বন্ধ হয়ে সৃষ্ট বন্যায় অন্তত এক ডজন বাড়িঘর ও দুটি ঝুলন্ত সেতু ভেসে গেছে। এ ঘটনায় পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছেন। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
রোববার (১১ অক্টোবর) নেপালের গোরখা জেলার চুমনুব্রি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ভূমিধসে বুধি গণ্ডকী নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে নদীর পানিতে বন্যা দেখা দেয়। এতে নদীর ভাটির দিকে বিস্তীর্ণ এলাকায় পানি ছড়িয়ে পড়ে। বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো ভেসে যাওয়ার পাশাপাশি একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণশিবির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানকার কিছু নির্মাণসামগ্রীও পানিতে ভেসে যায়।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজ পাঁচজনের মধ্যে দুজন নারী ও তিনজন পুরুষ। এ ছাড়া সেনাবাহিনীর সদস্যরা এক বিদেশিসহ ৪৯ জনকে উদ্ধার করেছেন। তবে উদ্ধার হওয়া বিদেশি নাগরিকের জাতীয়তা প্রকাশ করা হয়নি।
গোরখা জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ধর্মেন্দ্র কুমার মিশ্র নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বন্যার ঝুঁকিতে থাকা গোরখা, তানাহুন, চিতওয়ান, পূর্ব নওয়ালপরাসি ও পশ্চিম নওয়ালপরাসি জেলার বাসিন্দাদেরও সতর্ক করা হয়েছে।
বন্যার পানিতে গোরখা ও পার্শ্ববর্তী ধাদিং জেলার মধ্যে সংযোগকারী একটি মহাসড়ক সেতুও ভেসে গেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং উদ্ধার তৎপরতা চালাতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। হেলিকপ্টার থেকেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত আগস্টে নেপালে হিমবাহ ধসের কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় ১ হাজার ৪৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং হাজারো মানুষ নিখোঁজ ছিলেন বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
এসকে/এনএম
আরও পড়ুন : বেনাপোলে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী মালিক সমিতির ‘সংবাদ সম্মেলন‘
এসকেনিউজ২৪ | সত্যের পথে কলমের সাথে
সম্পাদনা_দেলোয়ার হোসেন মাসুদ 

























