
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | এসকেনিউজ২৪
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের কোহাত জেলায় পুলিশ সদরদপ্তরের মসজিদে ভয়াবহ বোমা হামলা ও পরবর্তী গোলাগুলির ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ছয় হামলাকারী, ১৫ জন পুলিশ সদস্য এবং ছয়জন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জুমার নামাজের সময় পুলিশ সদরদপ্তরের মসজিদের ফটকে বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি দিয়ে হামলা চালানো হয়। শক্তিশালী বিস্ফোরণে মসজিদের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং পুলিশ সদরদপ্তরের দেয়ালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বিস্ফোরণের পর হামলাকারীরা পুলিশ সদরদপ্তরের মূল কম্পাউন্ডে প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তাদের গোলাগুলি শুরু হয়। পরে ওই সংঘর্ষে হামলাকারীদের ছয়জন নিহত হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে।
খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান জুলফিকার হামিদ আত্মঘাতী বোমা হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিস্ফোরণের পর হামলাকারীরা পুলিশ সদরদপ্তরের কম্পাউন্ডে ঢোকার চেষ্টা করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, হামলায় অন্তত ৭৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের বেশিরভাগই মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলেন।
হামলার পরপরই ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বিস্ফোরণটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে এর শব্দ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকাতেও শোনা যায়।
হামলার দায় পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবানের (টিটিপি) অন্যতম অংশ ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন স্বীকার করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কোহাত জেলা আফগান সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় হামলার পর পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্কের বিষয়টিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তানে অবস্থানকারী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সদস্যরা সীমান্তের ওপার থেকে সহায়তা পাচ্ছে। তবে আফগান তালেবান সরকার পাকিস্তানের এ ধরনের অভিযোগ বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
সূত্র: আলজাজিরা
এসকে/এনএম
সম্পাদনা_দেলোয়ার হোসেন মাসুদ 

























