ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-চট্টগ্রামফেরত তরুণদের মধ্যে ডেঙ্গুর সংক্রমণ, কেন্দুয়ায় শনাক্ত ২১




 

নিজস্ব প্রতিনিধি || এসকেনিউজ২৪ 

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৭৪ জন রোগীর ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত তিনজন এবং জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আরও ১৮ জনসহ মোট ২১ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্তসহ মোট ২৩ জন রোগী ভর্তি ছিলেন বলে জানা গেছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. নাঈম হাসান।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের বেশির ভাগই তরুণ। তাদের অনেকেই ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে কেন্দুয়ায় এসেছেন। এছাড়া কয়েকজন রোগী স্বজনদের অনুরোধে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবারও ডেঙ্গু আক্রান্ত একজন রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিলেন। তবে বুধবার এ মুহূর্তে হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত কোনো রোগী ভর্তি নেই।

হাসপাতাল সূত্র আরও জানায়, ডেঙ্গুর উপসর্গ থাকা অনেক রোগী পরীক্ষা না করিয়েই কিংবা হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে চলে যান। ফলে কেন্দুয়া উপজেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য পৃথক বেড বা নির্দিষ্ট আইসোলেশন ব্যবস্থা না থাকলেও রোগীদের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতার জন্য সম্প্রতি একজন সিনিয়র স্টাফ নার্সের মাধ্যমে স্বাস্থ্য শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে রোগীদের ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় করণীয় সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. নাঈম হাসান বলেন, রোগীর জ্বর বা উপসর্গ শুরু হওয়ার সময় বিবেচনা করে এনএস১, আইজিএম, আইজিজি ও সিবিসি (কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট) পরীক্ষা করা হয়। ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে অনেক ক্ষেত্রে প্লাটিলেট কমতে শুরু করে।

তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মশারি ব্যবহার করতে হবে এবং বাড়ির আশপাশের ফুলের টব, পুরোনো বোতল, কৌটা কিংবা অন্য কোনো পাত্রে যাতে পানি জমে না থাকে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। পাশাপাশি বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এসকে/এনকে

আরো পড়ুন : ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এনসিপি নেত্রীর বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা

 

One thought on “ঢাকা-চট্টগ্রামফেরত তরুণদের মধ্যে ডেঙ্গুর সংক্রমণ, কেন্দুয়ায় শনাক্ত ২১”

আপনার মতামত প্রকাম করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার প্রদত্ত তথ্য আমাদের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে

প্রকাশকের তথ্য

সর্বাধিক পঠিত

কেন্দুয়ায় তাঁতী দলের কর্মী সম্মেলন, কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে নতুন দাবি

ঢাকা-চট্টগ্রামফেরত তরুণদের মধ্যে ডেঙ্গুর সংক্রমণ, কেন্দুয়ায় শনাক্ত ২১

প্রকাশের সময় : ০৭:১৪:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিনিধি || এসকেনিউজ২৪ 

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৭৪ জন রোগীর ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত তিনজন এবং জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আরও ১৮ জনসহ মোট ২১ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্তসহ মোট ২৩ জন রোগী ভর্তি ছিলেন বলে জানা গেছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. নাঈম হাসান।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের বেশির ভাগই তরুণ। তাদের অনেকেই ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে কেন্দুয়ায় এসেছেন। এছাড়া কয়েকজন রোগী স্বজনদের অনুরোধে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবারও ডেঙ্গু আক্রান্ত একজন রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিলেন। তবে বুধবার এ মুহূর্তে হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত কোনো রোগী ভর্তি নেই।

হাসপাতাল সূত্র আরও জানায়, ডেঙ্গুর উপসর্গ থাকা অনেক রোগী পরীক্ষা না করিয়েই কিংবা হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে চলে যান। ফলে কেন্দুয়া উপজেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য পৃথক বেড বা নির্দিষ্ট আইসোলেশন ব্যবস্থা না থাকলেও রোগীদের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতার জন্য সম্প্রতি একজন সিনিয়র স্টাফ নার্সের মাধ্যমে স্বাস্থ্য শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে রোগীদের ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় করণীয় সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. নাঈম হাসান বলেন, রোগীর জ্বর বা উপসর্গ শুরু হওয়ার সময় বিবেচনা করে এনএস১, আইজিএম, আইজিজি ও সিবিসি (কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট) পরীক্ষা করা হয়। ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে অনেক ক্ষেত্রে প্লাটিলেট কমতে শুরু করে।

তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মশারি ব্যবহার করতে হবে এবং বাড়ির আশপাশের ফুলের টব, পুরোনো বোতল, কৌটা কিংবা অন্য কোনো পাত্রে যাতে পানি জমে না থাকে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। পাশাপাশি বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এসকে/এনকে

আরো পড়ুন : ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এনসিপি নেত্রীর বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা